Written by 

Entertainment 

Shei Brishtir Dinta

Reading Time: 1 minute Anekkhon dakadakir por ghorer dorja khullo Riyan, Shyamal kaka besh birokto bhabei bole uthlo “tomar jonno chithi aseche, sharadin ghorer dhorja bondho kore theke tumi ki pao ke jane… cha khabe naki ?” Riyan chupchap matha nariye sommoti janiye hather chithi ta tabler upor rekhe abar mukher opor dhorja bondho kore dilo..Janlar pashe dariye sokaler bristir sesh phonta gulo anubhab korte giye hothat-e  chokhe par orlo barir nicher bachchagulor dike jara sob bhule kaday football khelche nijeder moto kore… Asole sob shokaler cheye ajker shokalta besh alada, ektu mon kharapero bote. Mobile phonetay aktar por akta phone asche aar missed call hoyei theke jachche. Chokh aar kaan dutoi jeno dekhte sunte pachena.  Abar dorjay daak, ulto dik theke mayer gola “Baban aaj aar beroshna. Dupure khichudi korbo Khabito? Kire? Ghumochchis? Riyan Dorjar ulto dik theke uttor dilo “ja paro koro maa, birokto korona“. Table–er upor theke khaamta haate niyeo khule dekhar ichcha holona; jeno khaambondi chithir araaler sob kothguloi jana. Boier shelfer boigulor modhdhe theke akta dairy haate niye khaater upor boshe porlo Riyan… Dairyr protita patay anek kichu lekha, konotay golpo boro naamer, konotay abar choto kobita… Majher koyekta patay lukiye rakha shukno phool, pen’er kalite lekha ekta naam, gaacher patay… Khaamta jotno kore tule rekhe, dairyta abar shelfe tulte jawar shomay ajantei khaater upore pore gelo ekta purono 50 takar note, jekhane ekta tarikh lekha – 9th November…  Coffeer cupta table–er upor rekhe maa newspaperer sports pageta khule day, beriye jawar age bole “Baban ghore boshe theke tui konodin nijer kotha kauke janate parbina, aar nijer jonno jodi haar manish jibone, mene nite parbo ami, tobe anyer jonno manishna. Ei coffee-ta kintu thanda korishna“. Riyan kichu uttor dayna  ghorer sob chobigulo dekhte thake – konotay or pashe akdol bondhu, konotay school college–er anek shundor muhurto, abar konotay shobar sathe prize hathe  dariye Riyan, kothao abar akai dariye o. Newspaper-er ajker chapano chobir cheleta ghorer anek  chobitei  Riyan-er pashe dariye ..Ritam Ray naamta spostho bhabe lekha …  Hothat korei abar phoneta beje othe… Priyanka calling… Phone–er onnodik theke ekjoner katha kaane ashe…”kire Riyaan kokhon theke phone korchi tulbito, tui ashchish to? Riyan nichu golay jaante chay , kobe? Priyanka, “Are 9th November“ …    Galperprothombhaagroilotomaderjonno , sheshtatomader moto koreihok. Bachai kora sheshbhaagti publish korboamraeiblogeitomadernaamsoho… – Featured Image: Priyadarshini Mukherjee Read More
Gorom Moshla 

আম-কথা

Reading Time: 1 minute বাঙালিরা জন্ম থেকেই নিজের নামের আগে ‘ভোজনরসিক‘ বিশেষণটা সঙ্গে  নিয়ে আসে. পুজো পার্বণ, বিয়েবাড়ি, বছরের কিছু বিশেষ দিন, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আড্ডা, আবার একান্তে প্রিয়জনের সাথে সময়যাপন, সবকিছুতেই সবার আগে মাথায় আসে ‘খাবার‘ শব্দটি. ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে আমিষ নিরামিষ পদের বাহার, আর শেষ পাতে মিষ্টি আর ফল, আর যদি সেটা গরমকাল হয় তাহলে আম ছাড়া অন্যকিছুরই জুড়ি মেলা ভার. গরমের সকালের ব্রেকফাস্ট হোক বা দুপুরে লাঞ্চ, এই ক’টাদিনের সবসময়ের সঙ্গী কিন্তু সেই আম-ই . “আ”এ আমটি আমি খাবো পেড়ে” থেকে “আম পাতা জোড়া জোড়া” প্রিয় বাঙালির সবকিছুতেই বারবার ফুটে ওঠে আমের প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা. শুধু তাই নয়, কবিগুরুর লেখা “দুই বিঘে জমি”তে উল্লেখিত আম গাছটাই কিন্তু উপেনের উপস্থিতি জানান দিয়েছিলো অনেক বছর পরেও…     শোনা যায়,  ইতিহাসের অনেককিছুর সাক্ষী এই আম. আগে নাকি বিভিন্ন প্রজাতির আমগাছ লাগানোর শখ ছিল রাজাদের, রকমফের আমের ফলনই  হতো সেই দেশের বৃদ্ধি আর সমৃদ্ধির প্রতিফলক, উপহার সামগ্রীর উপকরণ হিসাবেও আম দেওয়া– নেওয়ার চল ছিল…     সময়ের সাথে সাথে আমের চাহিদা বাড়লেও বদলে গেছে আমের সেই চেনা রূপটা. দুধ-ভাতের সাথে বাঙালিরা আজকাল আম মেখে খাওয়ার চেয়ে পছন্দ করে নামী মিষ্টির দোকানের আম-দই ,আম-ক্ষীর. শুধু তাই না, আজকাল আম-পোড়ার শরবত থেকে লস্যি, সবকিছুই এখন প্যাকেট-বন্দী. ঘোড়দৌড়ে সামিল হতে গিয়ে মানুষের হাতে এখন সময় খুব অল্প, তাই চটজলদি পন্থা, মনকে বেশি টানে আজকাল. তার উপর এখন নতুন নতুন রান্না শেখানোর ক্লাস, যেখানে আম দিয়ে তৈরী আমিষ নিরামিষ মিশিয়ে হাজার নতুন পদের সন্ধান পাওয়া যায়, কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেই কি হারিয়ে যাচ্ছেও না আমের নিজেস্ব স্বাদ? আমের সত্তাটারই বদল হয়ে যাচ্ছে না তো স্বাদবদলের অজুহাতে?      এখন তো আম বছরের প্রায় সবসময় পাওয়া যায়, কালের নিয়ম, ঋতুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেশে বিদেশে যে-কোনও সময় এখন অনায়াসে দু’টাকা বেশি দিলেই হাতের নাগালে চলে আসে আম. একটা বছরের অপেক্ষা, বিশেষ কয়েকটা দিনের আনন্দ কোনওটাই আর আগের মতো উপভোগ করা যায় না. আর এখন তো সবকিছুতেই লেগেছে আধুনিতার ছোঁওয়া আম নিয়ে তৈরী হচ্ছে বাহারি কেক, মিষ্টি, তার সাথেই  তৈরী হচ্ছে আম দিয়ে মাংস, এমনকি ইলিশ মাছও, কাঁচা আমের চাটনি, আচার এখন বেশ সেকেলে ওই ঠাকুমা দিদিমা আমলের,  কাঁচা আম দিয়ে এখন পায়েস অবধি রান্না হচ্ছে বাঙালিদের হেঁসেলে. সত্যি বলতে আধুনিক সমাজের বাচ্চারা আজকাল জানেই না স্কুলের গেটের বাইরে থাকা বিটনুন দিয়ে কাঁচা আম, আমসি কিনে খাওয়ার মজাটা. আমের রস, দুধ আর চিনি মিশিয়ে আজকাল আর ঘরোয়া আইসক্রিম বাচ্চারা ভালোবাসে না এখন আমের তৈরী আইসক্রিমেও এসে গেছে আধুনিকতার ছোঁওয়া, রোজ রোজ বাজারে আসছে নতুন নতুন সামগ্রী, অতএব জিভের স্বাদ বদলের গ্রিন সিগন্যাল.    সহজলভ্যতা বেশির ভাগ সময়ই ইচ্ছা ও চাহিদা দুটোরই মান কমিয়ে দেয়, আমের ক্ষেত্রেও এখন একটু হলেও সেটা হয়েছে, বাঙালিরা তাদের ফলের রাজার জন্য এখন আর কালবৈশাখী ঝড়ের অপেক্ষা করে না, গাছের মুকুল দেখে আনন্দে বলে না, “এবছর কিন্তু জমিয়ে আম হবে“, আচার চুরি করেও খেতে হয় না শেষ হওয়ার ভয়ে. অকালবোধন যেমন দূর্গাপুজোর মজা নষ্ট করে, অসময়ের আম একদম সেরকমই.  আসলে বাঙালিরা ভুলে যেতে চাইছে পিছনে ফেলে আসা দিনগুলোকে, কিন্তু অদ্যাপি প্রচলিত কায়দা রপ্ত করতে গিয়ে  আজকাল  হারিয়ে ফেলছে নিজস্বতাটাই. কাল্পনিক হলেও কোনদিন যদি  “আম” এর বুলি ফুটতো তাহলে সে নিশ্চয়ই বলতো ” আমাকে আমার মতো থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের  মতো গুছিয়ে নিয়েছি “.তাহলে প্রকৃতির ঘড়ি নিজের নিয়মেই চলতো, আর কাঁটাগুলোকে চাইলেও ইচ্ছেমতো আগে পিছনে করা যেত না …  – Feature Image: https://foodsafetyhelpline.com Read More
Bangali Connection Featured 

আম কথা

Reading Time: 1 minute বাঙালিরা জন্ম থেকেই নিজের নামের আগে ‘ভোজনরসিক‘ বিশেষণটা সঙ্গে  নিয়ে আসেI পুজো পার্বণ, বিয়েবাড়ি, বছরের কিছু বিশেষ দিন, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আড্ডা, আবার একান্তে প্রিয়জনের সাথে সময়যাপন, সবকিছুতেই সবার আগে মাথায় আসে ‘খাবার‘ শব্দটিI ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে আমিষ নিরামিষ পদের বাহার, আর শেষ পাতে মিষ্টি আর ফল, আর যদি সেটা গরমকাল হয় তাহলে আম ছাড়া অন্যকিছুরই জুড়ি মেলা ভার. গরমের সকালের ব্রেকফাস্ট হোক বা দুপুরে লাঞ্চ, এই ক’টাদিনের সবসময়ের সঙ্গী কিন্তু সেই আম-ইI “আ”-এ ‘আমটি আমি খাবো পেড়ে‘ থেকে “আম পাতা জোড়া জোড়া” আম প্রিয় বাঙালির সবকিছুতেই বারবার ফুটে ওঠে আমের প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসাI শুধু তাই নয়, কবিগুরুর লেখা “দুই বিঘে জমি”তে উল্লেখিত আম গাছটাই কিন্তু উপেনের উপস্থিতি জানান দিয়েছিলো অনেক বছর পরেও…     Read More
Featured Gorom Moshla 

স্মৃতিময় “ঝুলন”

Reading Time: 2 minutes রোজকার কর্মব্যস্ত সকালের মতোই, সেদিনও আমি চায়ের কাপটা বারান্দার টেবিলের উপর রেখে ইংরেজি খবরের কাগজটায় চোখ বোলাছিলাম, যদিও পাশেই রাখা ছিল বাঙালির অতি পরিচিত খবরের কাগজটাও. হঠাৎ মোবাইল ফোনে একটা মেসেজ “HAPPY JHULAN” কিছুক্ষণের জন্য বেশ অবাক লাগলেও নিজের অজান্তেই চোখটা ঠিক চলে গেল পিছনে টাঙানো... Read More